বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
আজ (১৭ জুলাই ২০২০) থেকে শুরু হলো শুরাঈ নেজামের অধিনে কাকরাইল মারকাজের আমল যাত্রাবাড়ী মদিনা মসজিদে ০৩ থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত চলবে শুরাই নেজামের তাবলিগের কার্যক্রম সাদ সাহেবের ভুলের পরিমাণ নয়, ভুলের কোয়ালিটির দিকে নজর দিন! আমাদের হযরতজিরা কেমন ছিলেন? ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ আফজাল ইন্তেকাল করেছেন। সিলেটের প্রখ্যাত আলেম শায়খুল হাদিস আল্লামা আব্দুস শহীদ গলমুকাপনী ইন্তেকাল করেছেন করোনা মহামারীতে ছুটিতে থাকা মাদরাসার শিক্ষকদের বেতন দিতে হবে: দেওবন্দের ফতোয়া মাওলানা নজরুর রহমান সাহেব (দাঃবাঃ) মৃত্যুর সংবাদটি মিথ্যা। তবে উনি অসুস্থ। কোকাকোলা (মঈনুল ইসলাম) মাদরাসায় সাদপন্থীদের হামলার প্রতিবাদ ও রক্ষা এগিয়ে আসার আহ্বান ইত্তেফাক মহাসচিবের ৭০ দিন পরে অবশেষে কাকরাইল মার্কাজ থেকে বের হলো সাদপন্থীরা
সাদ সাহেবের ভুলের পরিমাণ নয়, ভুলের কোয়ালিটির দিকে নজর দিন!

সাদ সাহেবের ভুলের পরিমাণ নয়, ভুলের কোয়ালিটির দিকে নজর দিন!

সাদ সাহেবের সর্বশেষ রুজুনামার প্রেক্ষিতে দারুল উলূম দেওবন্দের বক্তব্যে ‘ফিকরী বে-রাহবরী‘ (চিন্তাগত বিপথগামিতা) শব্দটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা হচ্ছে সাদ সাহেবের ভুলের কারখানার আসল কাঁচামাল। আসলে মেজাজের পরিবর্তন হয়ে পূর্বসুরী আকাবিরে উলামা ও আকাবিরে মুবাল্লেগীন থেকে তার দৃষ্টিভঙ্গিই আলাদা হয়ে গেছে। ফলে তার কথাবার্তা রাস্তা হারিয়েছে। এ কারণেই বারবার রুজু হওয়ার পরেও দারুল উলূম দেওবন্দ সাদ সাহেবের উপর অনাস্থা জারি রেখেছে। কেননা, ভুলের মেশিনগান মস্তিষ্কে ফিট হয়ে গেলে ভুল হওয়া এবং রুজু হওয়া বরাবর!
শুধু একটা উদাহরণ লক্ষ্য করি:
১/সাদ সাহেব বলেন,“আমার এই কথাগুলো দোহরানো এই জন্য প্রয়োজন যে,এখন কিছু কাম করনেওয়ালাও শয়তানের ঐ ওয়াসওয়াসার শিকার হয়ে গেছে যে ‘ফিরা’ জরুরী নয়।যে ভাবে নামাজ আল্লাহর হুকুম,এগুলো মনে রাখো,ফিরাও আল্লাহর হুকুম,কোন মাধ্যমে পয়গাম পৌঁছে দেয়া এটা দাওয়াতের পদ্ধতি নয়,ফিরা আল্লাহর হুকুম, ফিরা আল্লাহর হুকুম”।(১/১১/২০২/১৮,বাদ মাগরিব বয়ান, বুলন্দশহর ইজতেমা)।

২/ সাদ সাহেব বলেন,”….উম্মত এটা বুঝে নিয়েছে যে, কোন বিশেষ পদ্ধতি তাবলীগের জন্য নাই, বরং যেভাবে ইচ্ছা তাবলীগের কাজ করবে। না,এমন না! বরং যেভাবে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইবাদাতের এবং জরুরতের সুন্নাত নির্দিষ্ট,সেভাবে হুজুরের দাওয়াতের লাইনের সুন্নাতও নির্দিষ্ট।ঐ সুন্নাত হলো যে, আপনি নিজে গিয়ে দাওয়াত দিবেন,আপনি নিজে গিয়ে দাওয়াত দিবেন,আপনি নিজে গিয়ে দাওয়াত দিবেন”। (২৫/১১/২০১৮, শেষ মজলিস ও দোয়া,ভুপাল ইজতেমা)।
এই ধরণের কথা, ইসলামের ইতিহাসে সাদ সাহেবই প্রথম
বলেছেন কিনা সেটা একটা গবেষণার বিষয়!
সাদ সাহেবের এই বুঝটাও লোপ পেয়েছে যে, হাদীসে রসূলে আযানকে দাওয়াতিত তা-ম্মাহ(পরিপূর্ণ দাওয়াত) বলা হয়েছে। মুয়াযযিন সাহেব কি মানুষের কানে কানে ‌আযান দিয়ে আসেন, না কোন প্রতিনিধি পাঠান!
দাওয়াত, তালিম,জিহাদ,তাজকিয়া ইত্যাদি নিজে ইবাদত হলেও এগুলোর পদ্ধতিগুলো স্বতন্ত্র ইবাদত নয়। এগুলোর কোন নির্দিষ্ট পদ্ধতির উপর গোঁ ধরে বসা এবং সেটাকেই সুন্নাত সাব্যস্ত করা পরিষ্কার সীমালংঘন। চার মাজহাবই এই ব্যাপারে একমত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর-রাহা সেবাই আমাদের ধর্ম।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
২৪৯,৫৯৮
সুস্থ
১৪৩,৮২৬
মৃত্যু
৩,৩০৬
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,৯৭৭
সুস্থ
২,০৭৪
মৃত্যু
৩৯
স্পন্সর: একতা হোস্ট



©Copyright 2020 Sathivai.com
Desing & Developed BY sayem mahamud