মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
ইবাদতের বসন্ত কাল, মাহে রমজান বিদায় নিচ্ছে আমাদের থেকে জুমাতুল বিদা ও তার বিশেষ নামায- ‘‘একটি ভিত্তিহীন আমল’’ আজ ২০ই রমজান সূর্যাস্তের পূর্বে এতেকাফে বসার সময়। তাবলীগের সংকটের নেপথ্যে কিছু কথা যাত্রাবাড়ী জামিআ’তে অনুষ্ঠিত আজকের বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহ মাওলানা ইলিয়াস সাহেব (রহঃ) কিভাবে রমজান কাটাতেন — শায়খুল হাদিস যাকারিয়া রহঃ নবীজি (সাঃ) যেভাবে রমজান কাটাতেন আম্মাজান আয়েশা (রা.)-এর ওপর অপবাদ; একাল-সেকাল উত্তরা পার্ক মসজিদে তাবলিগের শুরায়ী নেজামের জামাতের নুসরতে আসেন আল্লামা আরশাদ মাদানী (দাঃবাঃ) দাওয়াত ও তাবলীগে আলেমদের ভূমিকা অপরিসীম: মাওলানা আব্দুল মালেক (দাঃবাঃ)
উলামায়ে কেরামের সঙ্গে চরম অবমাননাকর আচরণ, যদি আমাদের বড়রা দেখতেন তাহলে কী করতেন ?

উলামায়ে কেরামের সঙ্গে চরম অবমাননাকর আচরণ, যদি আমাদের বড়রা দেখতেন তাহলে কী করতেন ?

মাওলানা ইলয়াস রহ. যদি আজকের ভুলধারার সাথীদের উগ্রতা, ফেরকাবাজি ও উলামায়ে কেরামের সঙ্গে চরম অবমাননাকর আচরণ দেখতেন তাহলে কী করতেন ?*
তা আপনি শুধু হযরতজির এই মূল্যবান মালফুজাত থেকে অনুমান করে নিন।
♦ “হযরত মাওলানা ইলয়াস রহ. বলেন, ‘আপনারা উলামায়ে কেরামের কাছে গিয়ে বলবেন যে, এই তাবলীগি জামাতগুলোর চলা-ফেরা এবং মেহনত ও পরিশ্রমের কারণে জনসাধারণের মাঝে দ্বীনের স্রেফ আগ্রহ মূল্যায়নই সৃষ্টি করা যাবে। তাদেরকে দ্বীন শেখার ওপর শুধু উদ্বুদ্ধই করা যাবে।
সামনে অগ্রসর হয়ে দ্বীন শেখানো ও গড়ে তোলার কাজ উলামায়ে কেরাম ও বুযুর্গদের তাওয়াজ্জুহ ও মনোযোগ নিবদ্ধ করার মাধ্যমেই সম্ভব। কাজেই আপনাদের দৃষ্টি প্রদান খুবই প্রয়োজনীয়”
মালফুজাত নম্বর : ২১২
আকাবিরিনে দাওয়াত ও তাবলীগ কে মালফুজাত : ১৩২

হায়! যদি এতায়াতী ভাইয়েরা বুঝতো

হযরতজী মাওঃ ইউসুফ রহঃ বলেছেন আমি দেওবন্দ, সাহারানপুরে জামাত পাঠিয়ে থাকি তা এজন্যে নয় যে; উলামাদের কে তাবলীগ করা হোক এবং দাওয়াত দেয়া হোক। আমি তো এই উদ্দেশ্যে জামাত পাঠাই যে; বর্তমানে আওয়াম জনসাধারণ আলেমদের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তারা যেন উলামাদের কাছে হয়ে যায় আর এর মধ্যেই আওয়াম জনসাধারনের উপকার।

( মালফুযাতে হযরতজী মাওঃ ইউসুফ রহঃ-৮৬ )

♦ যদি কোনো চোখের ডাক্টার মারা যায় আর তার একমাত্র সন্তান অন্ধ হয় তাহলে ওই ডাক্টারের উত্তরাধিকার সম্পত্তি কে পাবে? অন্ধ ছেলে পাবে, না বাইরের কোনো সুস্থ লোক পাবে? ছেলে অন্ধ হোক বা চক্ষুস্মান হোক, সর্বাবস্থায় সেই ওয়ারিস হবে। বাবা যদি কুস্তিগির, পালোয়ান হয়। আর তার ছেলে দুর্বল বিকলাঙ্গ হয় তাহলে ওয়ারিস কে হবে? যত বিকলাঙ্গই হোক, পঙ্গুই হোক, সর্বাবস্থায় সেই ওয়ারিস হবে। আমি এই উদাহরণ দিয়ে বুঝাই যে, আলেম যে মানেরই হোক, সে সর্বাবস্থায় নবির ওয়ারিস। আলেম ছাড়া অন্য কেউ নবির ওয়ারিস হতে পারে না। যে মানেরই হোক, আলেম সর্বাবস্থায় আলেম। কাজেই আমি আপনাদেরকে অনুরোধ করব, আপনারা আপনাদের জবান সংযত রাখুন। আলেমদের বিরুদ্ধে একটা কথাও বলবেন না। জবান বন্ধ করুন। আপনার মুখ নিয়ন্ত্রিত রাখুন। সংযত রাখুন।

♦পুরো পৃথিবীতে আজ বদতমিজির ঝড় বয়ে যাচ্ছে। আলেমদের আঁচলে কালিমা লাগিয়ে দাও। উম্মতকে আলেমদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলো। যদি এ কাজ করতে পারো তাহলে তোমার কাজ আসান। যদি জনসাধারণকে আলেমদের থেকে বিচ্ছিন্ন করতে সক্ষম হও তাহলে যে কোনো ফেতনায় তুমি তাদেরকে নিয়ে যেতে পারবে। এর বিপরীতে যদি আলেমদের ওপর সাধারণ উম্মতের আস্থা থাকে তাহলে কোনো ফেতনাই তাদেরকে গুমরাহ করতে পারবে না। আল্লাহ আমাদেরকে এ কথা বোঝার তাওফিক দিন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর-রাহা সেবাই আমাদের ধর্ম।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট



©Copyright 2020 Sathivai.com
Desing & Developed BY sayem mahamud